অনার্স ৪র্থ বর্ষের অকৃতকার্যদের পুনঃ নিরীক্ষণ করার সুযোগ

সম্প্রতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ৪র্থ বর্ষ ফলাফল প্রেডিং পদ্ধতিতে প্রকাশিত হয়। এতে ৭৬% পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। বিভিন্ন কলেজের অকৃতকার্য হওয়া একশ জনের মতো শিক্ষার্থী আজ (৬ ডিসেম্বর ২০১৫) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গেইটে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন দাবি পেশ করে। অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ৪ দফা দাবির প্রেক্ষিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যায় কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন প্রস্তাব দিয়ে বক্তব্য দিয়েছে এবং অনার্স ৪র্থ বর্ষের অকৃতকার্যদের পুনঃ নিরীক্ষণ করার সুযোগ দিয়েছে।
২০০৯-২০১০ সেশনে অনার্স ৪র্থ বর্ষ অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের দাবি :
১. ৪র্থ বর্ষের সকল ছাত্র-ছাত্রীদেরকে শতভাগ পাস দিতে হবে।
২. পূর্বের বছরের মানন্নোয়ন পরীক্ষা থাকা স্বত্বেও সবাইকে মাস্টার্স-এ ভর্তি হওয়ার সুযোগ দিতে হবে।
৩. সকল বছর মিলে সি.জি.পি.এ ২.০০ এর উপরে থাকলেই তাকে অনার্স সনদ দিতে হবে।
৪. সনদ এর সাথে ওৎৎবমঁষধৎ লেখা উল্লেখ করা যাবে না।
শিক্ষার্থীদের দাবির ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বক্তব্য বা অবস্থান :
১. ১০ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট পুনঃ নিরীক্ষণ সংক্রান্ত আবেদন করতে হবে।
২. আবেদনকারীদের উত্তরপত্র পুনঃ নিরীক্ষণ করে ১০ (দশ) দিনের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা।
৩. পুনঃ নিরীক্ষণে কারো ফল উন্নীত হলে পরিবর্তিত ফল প্রকাশ করা হবে।
৪. পুনঃ নিরীক্ষণে পাস করলে মাস্টার্সে ভর্তির সুযোগ দেয়া হবে।
৫. প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র দেখার সুযোগ দেয়া হবে।
৬. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর সনদে Irregular শব্দ থাকে না।
এর বাইরে কোনো অযৌক্তিক দাবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট কোনো অবস্থায় গ্রহণযোগ্য হবে না। উল্লেখ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সর্বদা শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি-দাওয়ার প্রতি সংবেদনশীল থেকে আসছে। সে কারণে সেশনজট নিরসনে ক্রাশ প্রোগ্রাম গ্রহণ, সর্বোচ্চ ৩ মাসের মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষা অনুষ্ঠান, ৩ মাসের মধ্যে যে কোন পরীক্ষার ফল প্রকাশ ইত্যাদি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশা করছে, শিক্ষার্থীরা ন্যায়সংগত ও যুক্তিপূর্ণ আচরন করবে এবং ‘শতভাগ পাস’ দেওয়ার (১ নম্বর দাবি) দাবির অর্থ যে অটো প্রমোশন দেয়ার নামান্তর-এ ধরনের দাবির অযৌক্তিকতা উপলব্ধি করে তা থেকে সরে আসবে। তাদের শিক্ষা ও কর্ম জীবনের স্বার্থেই তা আবশ্যক। বিশ্ববিদ্যালয় সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় সেশনজট মুক্ত করা ও কর্তৃপক্ষ শিক্ষার্থী-অভিভাবকসহ সকলের সহযোগিতা কামনা করছে।”
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি-তে এসব তথ্য জানানো হয়।

Rate this post

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

You cannot copy content of this page