চাকরির খবর

নতুন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩ pdf > রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগ [Primary teacher circular 2023 pdf]

নতুন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩ pdf [রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগ > Primary teacher recruitment circular 2023 pdf] প্রকাশিত হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট (dpe.gov.bd) ও যুগান্তর পত্রিকায় বহু কাঙ্ক্ষিত এই নিয়োগ সার্কুলার প্রকাশিত হয়েছে। সারা বাংলাদেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নতুক করে ৭০০০ জন নিয়োগের অংশ হিসেবে তিন বিভাগের (রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগ) এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

অনলাইনে (https://dpe.teletalk.com.bd) আবেদন করতে হবে ১০ মার্চ ২০২৩ তারিখ থেকে ২৪ মার্চ ২০২৩ তারিখের মধ্যে।

২০২৩ সালে আরো নতুন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে তিন বিভাগের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩ প্রকাশ করা হয়েছে। সারা দেশে মোট পদ ৭০০০টি। এরপর ধারাবাহিকভাবে আরো নতুন এই সার্কুলার প্রকাশিত হবে বলে জানা গেছে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০২৩ [ রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগ]

নিয়োগ কর্তৃপক্ষ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE)
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক বিদ্যালয়
পদ সহকারী শিক্ষক
বিভাগ রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগ
পদের সংখ্যা ৭০০০টি (সারা দেশে)
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
আবেদনের তারিখ ১০-২৪ মার্চ ২০২৩
আবেদন ফি২২০ টাকা
অফিসিয়াল ওয়েবসাইটhttp://www.dpe.gov.bd
আবেদনের লিংকhttps://dpe.teletalk.com.bd
প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ ২০২৩

চলতি বছর ব্যাংকিং খাতে বড় কয়েকটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির পর শিক্ষা খাতে আসছে চাকরির বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নতুন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আবেদনের যোগ্যতা

যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ (৪ স্কেলে ন্যূনতম ২.২৫ ও ৫ স্কেলে ন্যূনতম ২.৮) স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি।       

প্রার্থীর বয়স

২৪ মার্চ ২০২৩ তারিখে সাধারণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ও সর্বোচ্চ বয়স হবে ২১-৩০ বছর। তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের আবেদনকারীর ক্ষেত্রে ন্যূনতম ও সর্বোচ্চ বয়স হবে ২১-৩২ বছর। বয়স নিরূপণের ক্ষেত্রে এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য নয়।

আবেদনের নিয়ম ও ফি

অনলাইনে (https://dpe.teletalk.com.bd) আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে ১০ মার্চ ২০২৩ তারিখ থেকে। আবেদনের শেষ তারিখ ২৪ মার্চ ২০২৩। টেলিটকের সার্ভিস চার্জ সহ আবেদন ফি ২২০ টাকা।

আবেদন সংক্রান্ত নির্দেশনা

  • জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-১ শাখার ২২.০৯.২০২২ তারিখের ০৫.০০.০০০০.১৭০.১১.০১৭.২০-১৪৯ নং স্মারক মোতাবেক ২৫.০৩.২০২০ তারিখে যেসব প্রার্থীর বয়স সর্বোচ্চ বয়সসীমার মধ্যে ছিল সেসব প্রার্থীও আবেদন করতে পারবেন।    

  • আবেদন করতে হবে অনলাইনে (http://dpe.teletalk.com.bd) ১০ মার্চ ২০২৩ সকাল ১০.৩০টা থেকে ২৪ মার্চ ২০২৩ রাত ১১:৫৯টার মধ্যে।
  • অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণের যাবতীয় নির্দেশনা পাওয়া যাবে। নির্দেশনা অনুসরণ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

  • আবেদন ফি জমার আগে ‘ড্রাফট অ্যাপ্লিকেন্ট কপি’ একাধিকবার পড়ে প্রার্থী তার প্রদত্ত তথ্যের যথার্থতা সম্পর্কে নিশ্চিত হবেন। কোনো ভুল হলে তার বিপরীতে আবেদন ফি জমা দেওয়া যাবে না এবং এই বিজ্ঞপ্তির ৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসরণ করে নতুন করে ‘অ্যাপ্লিকেশন ফরম’ সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণপূর্বক নতুন USER ID সংবলিত ‘আনপেইড’ স্ট্যাটাস সম্পন্ন ‘ড্রাফট অ্যাপ্লিক্যান্টস কপি’র প্রিন্ট নিয়ে পুনরায় প্রদত্ত তথ্য যাচাই করতে হবে।

  • নির্ভুলভাবে পূরণকৃত ‘অ্যাপ্লিকেশন ফরম’-এর বিপরীতে প্রদত্ত ‘ইউজার আইডি’ ব্যবহার করে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ‘ড্রাফট অ্যাপ্লিক্যান্টস কপিতে প্রদত্ত নির্দেশনা অনুসরণপূর্বক যেকোনো টেলিটক প্রিপ্রেইড মোবাইল নম্বর থেকে এসএমএসের মাধ্যমে অফেরতযোগ্য ২০০ টাকা আবেদন ফি মোট ২২০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।
  • আবেদন ফি পরিশোধের পর আবেদনে প্রদত্ত মোবাইল নম্বরে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদনকারীকে ইউজার আইডিসহ একটি পাসওয়াড দেওয়া হবে। এরপর http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটের ‘Download Applicant’s Copy’ ট্যাবে ক্লিক করে মোবাইলে প্রাপ্ত ইউজার আইডি ও Password Submit করে Paid স্ট্যাটাসসম্পন্ন Final Applicant’s Copy পাওয়া যাবে। Final Applicant’s-এর রঙিন প্রিন্ট কপি নিয়োগ প্রক্রিয়ার শেষাবধি আবশ্যিকভাবে সংরক্ষণ করতে হবে। শুধু আবেদন ফি পরিশোধের পরই আবেদনটি চূড়ান্তভাবে গৃহীত হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং আবেদনে আর কোনো তথ্য সংশোধন, সংযোজন, পরিমার্জন বা একই প্রার্থীর নতুনভাবে আবেদন ফরম পূরণের সুযোগ থাকবে না।
  • পরবর্তী সময়ে লিখিত পরীক্ষার ব্যবস্থাদি চূড়ান্ত করার পর প্রত্যেক যোগ্য আবেদনকারীকে এসএমএসের মাধ্যমে প্রবেশপত্র ডাউনলোডের লিংক প্রদান করা হবে, যা ব্যবহার করে আবেদনকারী পরীক্ষার প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন। ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধারের প্রয়োজন হলে উক্ত লিংকে প্রার্থীর ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে পুনরুদ্ধার করা যাবে।

  • অনলাইন আবেদনপত্রে প্রার্থীর প্রদত্ত মোবাইল ফোন নম্বরে পরীক্ষাসংক্রান্ত যাবতীয় যোগাযোগ (এসএমএস) করা হবে, তাই নম্বরটি সার্বক্ষণিক সচল রাখতে হবে।
  • আবেদনকারী যে উপজেলা/থানার স্থায়ী বাসিন্দা তার প্রার্থিতা উক্ত উপজেলা/থানার অনুকূলে নির্ধারিত থাকবে এবং তার নিয়োগসংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম তদনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত হবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯-এ বর্ণিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী নির্বাচিত প্রার্থীকে নিজ উপজেলা/থানায় নিয়োগ দেওয়া হবে।
  • সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৯ অনুযায়ী মেধা ক্রমানুসারে নির্বাচিত প্রার্থীদের দ্বারা প্রথমে (উপজেলা/থানাভিত্তিক) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক’-এর শূন্য পদসমূহ পূরণ করা হবে। মেধা তালিকার অবশিষ্ট প্রার্থী দ্বারা জাতীয়করণকৃত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির জন্য রাজস্ব খাতে সৃষ্ট ‘সহকারী শিক্ষক’-এর পদসমূহ পূরণ করা হবে।

  • বিবাহিত মহিলা প্রার্থীরা আবেদনে তাঁদের স্বামী অথবা পিতার স্থায়ী ঠিকানার যেকোনো একটিতে আবেদন করতে পারবেন। তবে এ দুটি স্থায়ী ঠিকানার মধ্যে তিনি যেটি আবেদনে উল্লেখ করবেন তাঁর প্রার্থিতা সেই উপজেলা/থানার কোটায় বিবেচিত হবে।
  • অসত্য/ভুয়া তথ্যসংবলিত/ ত্রুটিপূর্ণ/অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র কোনো কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে বাতিল বলে গণ্য হবে। প্রার্থী কর্তৃক দাখিলকৃত/প্রদত্ত কোনো তথ্য বা কাগজপত্র নিয়োগ কার্যক্রম চলাকালে যেকোনো পর্যায়ে বা নিয়োগপ্রাপ্তির পরও অসত্য/ভুয়া প্রমাণিত হলে তার দরখাস্ত/নির্বাচন/নিয়োগ বাতিল করা হবে এবং মিথ্যা/ভুয়া তথ্য সরবরাহ করার জন্য তার বিরুদ্ধে আইনগত/প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তা ছাড়া আবেদনে নিজ জেলা, থানা/উপজেলা ভুল করলে তার প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে।
  • আবেদনপত্রে পোষ্য কোটা উল্লেখ না করলে মৌখিক পরীক্ষার সময় পোষ্য কোটার স্বপক্ষে সনদ দাখিল করলেও তাকে পোষ্য কোটায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে না।

  • আবেদনপত্রে পোষ্য কোটা দাবি করা সত্ত্বেও পোষ্য কোটার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি দাখিল করতে ব্যর্থ হলে তার প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে ।
  • সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯-এর ব্যাখ্যা অনুযায়ী ‘পোষ্য’ অর্থ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োজিত আছেন বা ছিলেন—এমন শিক্ষকের অবিবাহিত সন্তান, যিনি উক্ত শিক্ষকের ওপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল আছেন বা তিনি জীবিত থাকলে বা চাকরিতে থাকলে সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল থাকতেন এবং উক্ত শিক্ষকের বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী বা তালাকপ্রাপ্ত কন্যা, যিনি উক্ত শিক্ষকের ওপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভরশীল ছিলেন বা ক্ষেত্রমতো তিনি জীবিত থাকলে অনুরূপভাবে নির্ভরশীল থাকতেন। মৌখিক পরীক্ষার সময় পোষ্য প্রার্থীদের ২৪.০৩.২০২৩ তারিখ পর্যন্ত তিনি পোষ্য ছিলেন মর্মে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার কর্তৃক প্রদত্ত সনদ দাখিল করতে হবে। কোনো প্রার্থী উল্লিখিত সনদ দাখিল করতে ব্যর্থ হলে তার প্রার্থিতা বাতিল বলে গণ্য হবে।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩ রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগ

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩ প্রকাশ > রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগ [Primary teacher circular 2023] http://www.dpe.gov.bd

DPE Primary teacher job circular 2023 Rangpur Barishal Sylhet pdf download

প্রাথমিক শিক্ষক আবেদন সংক্রান্ত নির্দেশনা ২০২৩

পরবর্তী নতুন প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৩ কবে প্রকাশ হবে?

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ গত ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে গণমাধ্যমে জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেহেতু অনেক শূন্য পদ রয়েছে, তাই নতুন করে আরেকটি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।

এরই অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে তিন রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে।

চাকরির নিয়োগ সংক্রান্ত তথ্য

  • উল্লেখ্য, গত জানুয়ারি (২০২৩) মাসে প্রাথমিকের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির কার্যক্রম শেষ হয়। সেই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ৩টি ধাপে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা শেষে সহকারী শিক্ষক পদে ৩৭ হাজার ৫৭৪ জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়।
  • তবে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত ৩৭ হাজার ৫৭৪ জন প্রার্থীর মধ্যে বেশ কিছু প্রার্থী শেষ মুহূর্তে সহকারী শিক্ষক পদে যোগ দেননি বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।
  • প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক পদে অনির্দিষ্টসংখ্যক জনবল নিয়োগের জন্য সর্বশেষ ২০২০ সালের অক্টোবরে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
  • সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক’–এর শূন্য পদ এবং জাতীয়করণ করা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিডিইপি-৪–এর আওতায় প্রাক্‌-প্রাথমিক শ্রেণির জন্য রাজস্ব খাতে সৃষ্ট ‘সহকারী শিক্ষক’ পদে জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫–এর ১৩তম গ্রেডে অস্থায়ীভাবে নিয়োগে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়েছিল।
  • ৩ পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের প্রার্থীরা বাদে বাকি জেলার প্রার্থীরা আবেদনের সুযোগ পেয়েছিলেন। আবেদন ফি ছিল ১১০ টাকা। মোট আবেদন করেছিলেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ প্রার্থী।
4.3/5 - (7 votes)

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button

You cannot copy content of this page